১৮৭৪ সালে বিট্রিশ ঔপনিবেশিক শক্তি আসামকে রাজ্য হিসাবে গঠন করার সময় নতুন রাজ্যের রাজস্ব ঘাটতির সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য বাংলা প্রেসিডেন্সি থেকে বঙ্গভাষী সিলেট ও কাছাড় জেলাকে কেটে এনে আসাম রাজ্যের সাথে জুড়ে দেয়। সুরমা উপত্যকা নামে একটি নতুন কমিশনার শাসিত প্রশাসনিক বিভাগের জন্ম হয় এই দুই জেলা নিয়ে।১৯৪৭ সালে এই বিভাগের সিলেট জেলার সিংহভাগ অংশ হস্তান্তরিত হয় পূর্ব পাকিস্তানে।সুরমা উপত্যকার এপারে পড়ে থাকা বাকি অংশকেই এখন বলা হয় বরাক উপত্যকা, যা কাছাড়, করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দি জেলা নামে তিনটি জেলায় পরবর্তীতে পুনর্গঠিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, সুরমা-বরাক অঞ্চল অর্থাৎ বিভাগ-পূর্ব সিলেট ও কাছাড় স্মরণাতীত কাল থেকেই একটি অভিন্ন সাংস্কৃতিক ভূগোলের অংশ।আসামের বরাক উপত্যকায় গণমাধ্যমের ভাষাকে পাল্টে দিয়েছে ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এইদিনে বাংলা ভাষার দাবীতে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম হয়েছিল।শিলচর শহরের তারাপুর রেলস্টেশন। ১৯৬১ সালের ১৯শে মে সেখানে পুলিশ গুলি ছুড়েছিল। মাতৃভাষার জন্য সেদিন অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ১১ জন ভাষা সৈনিক। তাদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে শিলচর শহরের সেই রেলওয়ে স্টেশনটিকে ভাষা শহীদ রেলস্টেশন নামে নামকরণ করতে চায় বরাক উপত্যকাবাসী বাংলাভাষীরা। বরাক উপত্যকার সর্বজন শ্রদ্ধেয়া অনুরুপা বিশ্বাস বলেন এই নামকরণটির মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের রক্তের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করা সম্ভব।
Wednesday, 9 November 2011
বরাক বাঙলা
১৮৭৪ সালে বিট্রিশ ঔপনিবেশিক শক্তি আসামকে রাজ্য হিসাবে গঠন করার সময় নতুন রাজ্যের রাজস্ব ঘাটতির সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য বাংলা প্রেসিডেন্সি থেকে বঙ্গভাষী সিলেট ও কাছাড় জেলাকে কেটে এনে আসাম রাজ্যের সাথে জুড়ে দেয়। সুরমা উপত্যকা নামে একটি নতুন কমিশনার শাসিত প্রশাসনিক বিভাগের জন্ম হয় এই দুই জেলা নিয়ে।১৯৪৭ সালে এই বিভাগের সিলেট জেলার সিংহভাগ অংশ হস্তান্তরিত হয় পূর্ব পাকিস্তানে।সুরমা উপত্যকার এপারে পড়ে থাকা বাকি অংশকেই এখন বলা হয় বরাক উপত্যকা, যা কাছাড়, করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দি জেলা নামে তিনটি জেলায় পরবর্তীতে পুনর্গঠিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, সুরমা-বরাক অঞ্চল অর্থাৎ বিভাগ-পূর্ব সিলেট ও কাছাড় স্মরণাতীত কাল থেকেই একটি অভিন্ন সাংস্কৃতিক ভূগোলের অংশ।আসামের বরাক উপত্যকায় গণমাধ্যমের ভাষাকে পাল্টে দিয়েছে ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এইদিনে বাংলা ভাষার দাবীতে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম হয়েছিল।শিলচর শহরের তারাপুর রেলস্টেশন। ১৯৬১ সালের ১৯শে মে সেখানে পুলিশ গুলি ছুড়েছিল। মাতৃভাষার জন্য সেদিন অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ১১ জন ভাষা সৈনিক। তাদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে শিলচর শহরের সেই রেলওয়ে স্টেশনটিকে ভাষা শহীদ রেলস্টেশন নামে নামকরণ করতে চায় বরাক উপত্যকাবাসী বাংলাভাষীরা। বরাক উপত্যকার সর্বজন শ্রদ্ধেয়া অনুরুপা বিশ্বাস বলেন এই নামকরণটির মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের রক্তের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করা সম্ভব।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment